April 19, 2026, 11:52 pm

বিদ্যালয় থেকে ইটের খোয়া চুরির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক আটক

যশোরের শার্শা মডেল সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালযের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম’র বিরুদ্ধে বিদ্যালয় থেকে ইটের খোয়া চুরি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহষ্পতিবার সকালে ইটের খোয়া গুলো ভ্যানে করে বাড়ীতে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে আটক।
জানাযায়, বৃহষ্পতিবার সকালে বিদ্যালয়ে রক্ষিত ১৫ বস্তা ইটের খোয়া ভাড়ায় চালিত একটি ভ্যানে করে বাড়ীতে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় জনতা আটক করে উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেয়। পরে উপজেলা প্রশাসন খবর পেয়ে ভ্যান বোঝাই খোয়াসহ প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামকে আটক করে নিয়ে আসে। এক পর্যায়ে প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেয় এবং একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে উপজেলা প্রশাসন।
এলাবাসীরা জানান, প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম একজন দূর্ণীতিবাজ ও খারাপ প্রকৃতির লোক। সে কিছুদিন আগে এ বিদ্যালয় থেকে পুরাতন রড ও ইট চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় জনগন আটকিয়ে রাখে। পরে হাতে পায়ে ধরে ছাড়িয়ে যায়। এ ছাড়াও ইতি পূর্বে সে ২০১৫ সালে অত্র বিদ্যালয় থেকে সরকারী বই-খাতা চুরি করে বিক্রয়ের অভিযোগে উপজেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সাজা প্রদান করে জেল হাজতে পাঠায়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস থেকে ঝাড়–দারের মোবাইল ফোন চুরি করে। নারী কেলেংকারীসহ বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীকে শারিরীক ভাবে নির্যাতন করার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি স্থানীয় সংসদ সদস্যের মাধ্যমে ইটের খোয়া গুলো ক্রয় করেছি তার সঠিক ভাউচার আছে এবং সে নিজেকে নিরাপরাধ দাবী করেন।

এব্যাপারে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা বলেন, খবর পেয়ে ভ্যান বোঝাই ইটের খোয়াসহ প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামকে আটক করে নিয়ে আসা হয়। সে বলে ইটের খোয়া গুলো ক্রয় করেছে তার সঠিক ভাউচার আছে। পরে মুসলেকা দিয়ে প্রধান শিক্ষককে ছেড়ে দিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা